পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য দুর্দান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত করল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর। ইতিমধ্যেই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে স্পেশাল এডুকেটর নিয়োগের ছাড়পত্র প্রদান করা হয়েছিল। এবারে সেই ছাড়পত্র অনুসারে প্রকাশিত হলো ২৭০০ টি শূন্য পদে স্পেশাল এডুকেটেড নিয়োগের বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি।
রাজ্যে ২৭০০ শূন্যপদে স্পেশাল এডুকেটর নিয়োগ
বর্তমানে বহুদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে স্থগিত রয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগের পদ্ধতি। তাই যুবক যুবতীদের মধ্যে অনেকেই শিক্ষকতার পেশাটি বেছে নিতে দ্বিধা বোধ করছেন। তবে আগামী দিনে বিপুল শূন্য পদে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগের একটি সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।
রাজ্যের সরকারি সূত্রের খবর অনুসারে, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের শিক্ষার বিষয়টি যথেষ্ট পরিমাণে গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের জন্য যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে বিপুল পরিমাণে। তাই এবারে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে ২৭০০ টি পদে স্পেশাল এডুকেটর নিয়োগ করা হচ্ছে। নিয়োগ পদ্ধতির মধ্যে যথেষ্ট পরিমাণে স্বচ্ছতা বজায় রাখার কারণে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকারের শিক্ষা দপ্তর।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যের রেলওয়ে স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ, প্রতিমাসে বেতন ২৭৫০০ টাকা
স্পেশাল এডুকেটর পদে আবেদনের যোগ্যতা-
১) এই পদে আবেদনের জন্য চাকরি প্রার্থীদের পক্ষে ৮০ নম্বরের সাথে টেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
২) দেশের যেকোনো ‘রিহ্যাবিলিটশনস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া’ (আরসিআই) স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে যে সমস্ত চাকরি প্রার্থীরা ডিপ্লোমা ডিগ্রী অথবা কোর্স করে থাকবেন তাদেরকেই এই পদে আবেদনের সুযোগ দেওয়া হবে।
৩) চুক্তিভিত্তিক পদে স্পেশাল এডুকেটার নিয়োগের জন্য ১০% আসন সংরক্ষিত করে রাখা হয়েছে।
৪) স্পেশাল এডুকেটর হিসাবে ইতিমধ্যেই কর্মরত এমন চাকরি প্রার্থীরাও এই পরীক্ষায় বসতে পারবেন এবং নিয়োগ পদ্ধতি অবলম্বন করে এখানে নিযুক্ত হতে পারবেন।
৫) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, সর্বোচ্চ ৫৫ বছর পর্যন্ত চাকরি প্রার্থীরা আবেদন জানাতে পারবেন।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের শেষ থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এবারে প্রথমবারের জন্য স্থায়ী স্পেশাল এডুকেটর পদে চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। এই উদ্দেশ্যে সমস্ত নিয়োগের দায়িত্বভার প্রদান করা হয়েছে ডিস্ট্রিক্ট প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিলকে। এর পূর্বে এই পদে মূলত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করা হতো।
আরও পড়ুনঃ বর্তমানে কি কি চাকরির ফর্ম ফিলাপ চলছে একনজরে দেখে নিন
এই নিয়োগের ক্ষেত্রে যথেষ্ট পরিমাণে স্বচ্ছতা বজায় রাখার প্রচেষ্টায় রয়েছে শিক্ষা দপ্তর। ডক্টরের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে পরীক্ষার ওএমআর শিট আগামী ১০ বছরের জন্য সংরক্ষণ করে রাখা হবে। এর পাশাপাশি প্রতিটি প্যানেলে থাকা প্রার্থীকে কোন বিষয়ে কত নম্বর পেয়েছেন সেটা উল্লেখ করতে হবে।